প্রচ্ছদ

সমগ্র বাংলাদেশে বিভিন্ন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের নামে অর্থ/ চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। সম্পূর্ণ সরকারী অর্থায়নে বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বিধায় উপদ্ষ্টো, লাইন নির্মান ঠিকাদার বা যে কোন ব্যক্তি/ দালালকে কোন প্রকার অর্থ/ চাঁদা প্রদান না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। এ ধরনের অবৈধ অর্থ দারিকারীকে নিকটস্থ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট সোপর্দ করুন।

লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

  “একটি বিশেষ ঘোষণা“

সম্মানিত এলাকাবাসী, আসসালামু আলাইকুম।

পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ প্রত্যাশী সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী “শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ” কার্যক্রম  সম্পুর্ন সরকারী অর্থে  বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং এভাবে সকল এলাকায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

অতএব গ্রাহক প্রান্তে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের নিমিত্তে লাইন নির্মানের জন্য সমিতির উপদেষ্টা, লাইন নির্মাণ ঠিকাদার, পবিস/বাপবিবো’র কর্মকর্তা/কর্মচারী, সমিতির এলাকা পরিচালক বা কোন ইলেকট্রিশিয়ান/ ব্যক্তি/ গোষ্ঠীকে কোন প্রকার অর্থ/ চাঁদা প্রদান না করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো। বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার নামে কেউ কোন প্রকার অর্থ/ চাঁদা দাবি করলে তাদেরকে নিকটস্থ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট সোপর্দ করার জন্যও অনুরোধ জানানো হলো।

এরূপ চাঁদাবাজি বন্ধের জন্য বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এবং লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তথাপি বিভিন্ন জায়গা হতে দালালদের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ সংযোগের নামে সকল অবৈধ অর্থ লেনদেন বন্ধ করার জন্য লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি তথা বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পক্ষ হতে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করা হলো।

 

ধন্যবাদান্তে
কর্তৃপক্ষ
লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

 

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

১. সরকার আগামী ২০১৮ সালের মধ্যে সকল গ্রাহক/পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। এজন্য বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহন করেছে ও করছে। মার্চ’২০১৭ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের গ্রাহক সংখ্যা ১ কোটি ৮২ লক্ষ। প্রতিমাসে ৩ থেকে ৫ লক্ষ নতুন গ্রাহক/ পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হচ্ছ এবং বিগত অর্থ বৎসরে ৩৭ লক্ষ গ্রাহককে সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। চলতি ২০১৬-২০১৭ অর্থ বৎসরে ৪০ লক্ষ গ্রাহককে সংযোগ প্রদান করা হবে। বর্তমান সরকারের বিগত ৮ বছরে ১ লক্ষ ২১ হাজার কিঃ মিঃ নতুন নির্মান লাইন করা হয়েছে এবং গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১ কোটি ৮ লক্ষ। এ সংযোগ প্রক্রিয়া আরও বেগবান ও ত্বরান্বিত করা হচ্ছে। ডিপোজিট ওয়ার্ক ব্যতীত সকল শ্রেণীর বিদ্যুৎ লাইন সরকারী খরচে নির্মান করা হচ্ছে।

২. কিছু কিছু স্থানীয় দালাল/ঠিকাদার/ইলেকট্রিশিয়ান/ব্যক্তি/গোষ্ঠী নিরীহ জনগণকে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করছে। এতে সরকার, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে এবং জনগনও প্রতারিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য কোন তদবীর বা দালালের সহায়তার প্রয়োজন নেই। সরকার এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসমূহ আপনাদের সংযোগ প্রাপ্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে কাজ করছে।

৩. দালাল ও দুর্নীতিবাজদের দৌরাত্ব বন্ধ করার জন্য মাইকিং, পোষ্টার, লিফলেট ইত্যাদির মাধ্যমে গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমি আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।

 

চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড

 

 

বিদ্যুৎ সভ্যতার চাবিকাঠি এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পথিকৃত। সমবায়ের সার্বজনীন নীতিমালা এবং ‘লাভ নয় লোকসান নয়’ এ দর্শনের উপর ভিত্তি করে এবং গ্রাহকগণকে সমিতির প্রকৃত মালিকানার স্বীকৃতি দিয়ে আর্থ – সামাজিক উন্নয়নে ‘‘লাভ নয় – লোকসান নয়’’এই ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গত ১৯৯০ ইং সালে শুভযাত্রা শুরুর মাধ্যমে সমিতির আওতাভুক্ত ৫ টি উপজেলায় ৪৫০ টি গ্রামে ৪৩৫৮.৯৪ কিঃ মিঃ লাইন বিদ্যুতায়নের আওতায় বিভিন্ন শ্রেণীর সর্বমোট ২,২৮,৩৫৬ জন গ্রাহককে সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। যার মাধ্যমে একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচনের ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদিকে তেমনি অধিক ফসল উৎপাদনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মসূচী প্রভূত অবদান রেখে চলেছে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা মোতাবেক গ্রাম বাংলার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে আমরা নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

চেয়ারম্যান এর বাণী

chairman

বিদ্যুৎ সভ্যতার চাবিকাঠি এবং আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পথিকৃত৷ এ বাস্তবতাকে উপলদ্ধি করে দেশের গ্রামীণ জনগণের জীবনমান ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ৩১শে অক্টোবর ১৯৭৭ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ বলে বাংলাদেশ পল্লী বিদু্যতায়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়৷ সমবায়ের সার্বজনীন নীতিমালা এবং ‘লাভ নয় লোকসান নয়’ এ দর্শণের উপর ভিত্তি করে এবং গ্রাহকগণকে সমিতির প্রকৃত মালিকানার স্বীকৃতি দিয়ে এ যাবত দেশের ৪৮৮ টি উপজেলার সমন্বয়ে ৭৯টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গঠিত হয়েছে৷

মহাব্যবস্থাপক এর বাণী

লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ২৬তম বার্ষিক সদস্য সভার সম্মানিত সভাপতি, পরিচালক মন্ডলী ও মহিলা পরিচালকবৃন্দ, উপস্থিত সম্মানিত গ্রাহক সদস্যবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ, সুধীমন্ডলী, বাংলাদেশ পল্লী বিদু্যতায়ন বোর্ড, অত্র পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি ও স্থানীয় বৈদু্যতিক উপদেষ্টা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ আস্সালামু-আলাইকুম৷ প্রথমেই আমি স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-কে গভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করছি৷

.

অনলাইন আবেদনের জন্য এখানে ক্লিক করুন.

Translation


PAGETOP